জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার চক্র খাওয়ার বড়ি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কেনার জন্য নির্ধারিত প্রতিটি চক্রের মূল্য ৪৯ টাকা ৮৫ পয়সা। এখানে ‘চক্র’ বলতে একজন নারীর এক মাসের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত এক প্যাকেট জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি বোঝানো হয়েছে।
রেনাটা পিএলসি সরবরাহের দায়িত্বে
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এই ক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। উন্মুক্ত দরপত্রে একমাত্র দরদাতা হিসেবে রেনাটা পিএলসি সরবরাহের জন্য সুপারিশ পেয়েছে। কেনাকাটাটি হবে তৃতীয় প্রজন্মের জন্মনিয়ন্ত্রণের খাওয়ার বড়ি।
কেন জরুরি ভিত্তিতে বড়ি কেনা হচ্ছে?
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩৯ শতাংশ সক্ষম দম্পতি জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য খাওয়ার বড়ির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে মজুত বড়ি দিয়ে এক মাসেরও কম সময়ের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে নতুন করে বড়ি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত
‘সমাপ্ত চতুর্থ সেক্টর কর্মসূচির অত্যাবশ্যকীয় পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার অসমাপ্ত কার্যাবলি বাস্তবায়ন’ প্রকল্পের আওতায় বড়িগুলো কেনা হচ্ছে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় বড়ির সরবরাহ বজায় রাখা এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী নিশ্চিত করা।
সামালা টিভির সারসংক্ষেপ: প্রায় ১৯৩ কোটি টাকার এই ক্রয় অনুমোদনের মাধ্যমে সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নিয়েছে।
সামালা টিভি — দেশ ও মানুষের কথা বলে...
