ঢাকা | লোড হচ্ছে...
ADVERTISEMENT হেডার মেইন বিজ্ঞাপন
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত মানুষের সঙ্গে মুনাফেকি করেছে, এখন সন্ত্রাসের রাজনীতি করছে: রিজভী আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ, সুইস ব্যাংকে অর্থ রাখার দাবিও দুদকের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক আগ্রাসন ও একতরফা শুল্ক আরোপের নিন্দায় ব্রিকসের ১১ দেশ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও অর্ধশত মামলা বিচারাধীন ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: চার উড়োজাহাজ, ১৯ ছিনতাইকারী—নিজের পাতা ফাঁদেই কি আটকে গেল যুক্তরাষ্ট্র? যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ইরানের ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট চেক ডিজঅনার মামলায় পাওনা পরিশোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট আ. লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কি না, যা বললেন আ স ম ফিরোজ পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে ৫ দেশের সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি

  • Mahi Liakat
    Mahi Liakat
    Central Buro Prodhan (CBP) Dhaka | আপলোড সময়: 13 মার্চ 2026 04:46 অপরাহ্ন
গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে ৫ দেশের সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি

গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে ৫ দেশের সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনী-ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) গঠনের উদ্যোগে বাহিনীটিতে সেনা পাঠাতে সম্মতি জানিয়েছে পাঁচটি দেশ। ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অফ পিসের উদ্বোধনী সভায় এ তথ্য তুলে ধরেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গাজায় আইএসএফের কার্যক্রম হবে “দ্বিমুখী”-প্রথমত নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা এবং দ্বিতীয়ত অস্থায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে শাসনকার্যে সহায়তা দেওয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরো গাজা উপত্যকাকে পাঁচটি সেক্টরে ভাগ করা হবে। প্রতিটি সেক্টরে মোতায়েন থাকবে একটি করে সেনা ব্রিগেড, যা স্থানীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে। জেফার্স আরও বলেন, গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল গাজায় অবস্থান করছে। তাদের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে আইএসএফের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও স্থাপনা প্রস্তুত করা হচ্ছে। গাজার শান্তি ও পুনর্গঠনের ভিত্তি হলো স্থিতিশীল নিরাপত্তা। আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য সেটিই নিশ্চিত করা। প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ও যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসন নিয়ে ২০ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবটি ইসরায়েল ও গাজা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস সম্মত হওয়ার পর ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। উক্ত প্রস্তাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দফায় যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় অস্থায়ী বেসামরিক টেকনোক্র্যাট সরকার গঠন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা উল্লেখ ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আইএসএফ বাহিনীটি ওই টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করবে।

আপনার মতামত লিখুন

Mahi Liakat

Central Buro Prodhan (CBP) Dhaka

প্রতিবেদকের সব খবর
সর্বশেষ সংবাদ
LIVE TV