৭ মাত্রার পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে তছনছ হয়েছে ভেনেজুয়েলা। দেশটি এখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। একের পর এক ভবন ধসে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রুহিলো, কারাবাও, মিরান্ডা এবং লা গুয়াইরা রাজ্যসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারাকাসের আলতামিরা এলাকার বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাটিতে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এ এলাকায় বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে।
রাজধানী কারাকাসের নিকটবর্তী লা গুয়াইরার এক বাসিন্দা জানান, ভূমিকম্পে বিমানবন্দরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এটি পুরো ধ্বংস হয়ে যায়নি। পুরো এলাকার চারপাশে সমস্ত ভবন ধসে পড়েছে। এমনকি সড়কেও ফাটল ধরেছে। ভূমিকম্পের পর সড়কে ফাটল ধরায় যোগাযোগব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গেছে।
মিরান্ডা রাজ্যের চাকাও অঞ্চলের মেয়র বলেছেন, ভূমিকম্পে অনেক মানুষ হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও তিনি কোনো সংখ্যা স্পষ্ট করেননি।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো বলেন, ভূমিকম্পে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চারিদিকে বহু ভবন ধসে পড়েছে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে আরো মূল্যায়নের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য জানায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
